Advertisement
WB Students
Advertisement

রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য (WB Students) সুখবর, ছাত্র ছাত্রীদের পরাশোনার সুবিধার্থে আরো সুযোগ করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি (Mamata Banerjee). এবার থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর পেলেই পাওয়া যাবে রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য অন্যতম সেরা এই বৃত্তি। রাজ্য সরকারের স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপের (swami vivekananda scholarship) সুবিধা এখন থেকে আরও বেশি পড়ুয়া পাবেন।

Advertisement

চলতি বছরে যে সব ছাত্রছাত্রী এই বৃত্তি পেতে চান তাঁদের এখনই আবেদন হবে। গত ১৬ নভেম্বর থেকে চালু হয়েছে অনলাইনে আবেদন নেওয়া। ২০১৬ সালে এই প্রকল্প শুরু করে মমতা সরকার। যার পোশাকি নাম ‘স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস স্কলারশিপ’। দশম, দ্বাদশ এবং স্নাতক স্তরের যে কোনও শাখার পড়ুয়ারা এই সুযোগ পান। মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি ও পেশাগত কোর্সের ছাত্রছাত্রীরাও এই বৃত্তির আওতায় পড়েন।

এখন যে নিয়ম রয়েছে তাতে সর্বশেষ পরীক্ষায় কমপক্ষে ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। এমএ-র পড়ুয়াদের শেষ পরীক্ষায় পেতে হবে কমপক্ষে ৫৩ শতাংশ নম্বর। গবেষণা করার জন্যও বৃত্তি পাওয়া যায়। এমফিল-এর জন্য মাসে পাঁচ হাজার টাকা এবং পিএইচ. ডি-র জন্য মাসে আট হাজার টাকা।

Advertisement

আবেদনের জন্য আর যা যা শর্ত রয়েছে তার মধ্যে আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতেই হবে এবং পারিবারিক আয় বছরে আড়াই লাখ টাকার কম হতে হবে। রাজ্য সরকারের অন্য বৃত্তির সুবিধা পান এমন পড়ুয়ারা অবশ্য এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে মাসে এক হাজার, স্নাতক স্তরে বিষয় অনুযায়ী এক থেকে পাঁচ হাজার টাকা এবং স্নাতকোত্তর স্তরে দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়। পলিটেকনিকের পড়ুয়ারা পাবেন প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা।

এত দিন মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক থেকে শুরু করে যে কোনও পরীক্ষায় ৭৫ শতাংশ নম্বর পেলে এই বৃত্তির জন্য আবেদন করা যেত। এ বার থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর পেলেই পাওয়া যাবে এই বৃত্তি। 

EK24 News

আরও পড়ুন, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সিলেবাস নিয়ে সমস্যা

Advertisement

স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপের সুবিধা পেতে হলে অনলাইনে আবেদন করা যাবে রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটে www.svmcm.wbmdfc.co.in সবার আগে বৃত্তি পেতে ইচ্ছুকদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সেই সময়ে বেছে নিতে হবে কোন কোর্সের জন্য বৃত্তি পেতে চান। জন্মের শংসাপত্র, শেষ পরীক্ষার অ্যাডমিট, মার্কশিট, আধার কার্ড স্ক্যান করে দিতে হবে। সেই সঙ্গে জমা দিতে হবে পারিবারিক আয়ের শংসাপত্র। এ ছাড়া ব্যাঙ্কের যাবতীয় তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী নতুন যে কোর্সে ভর্তি হয়েছেন তার রসিদ জমা দিতে হবে। বৃত্তির টাকা সরাসরি পড়ুয়াদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। এছাড়াও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের গত বছর ট্যাব এর জন্য টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিবার কি সিদ্ধান্ত হচ্ছে, সেই আপডেট আসছে। সঙ্গে থাকুন।

Advertisement
Advertisement

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement