Advertisement
Dearness Allowance West Bengal
Advertisement

Dearness Allowance – অপেক্ষার আর মাত্র এক সপ্তাহ।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারী কর্মীদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) আর মাত্র ৭ দিনের মধ্যে দিতে হবে। আর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত যা আভাষ পাওয়া যাচ্ছে, উচ্চ আদালতে না ও যেতে পারে রাজ্য সরকার। আর এরই মধ্যে এক কিস্তি ডিএ ঘোষণা করে সময় চাইতে পারে।

Advertisement

বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটানোর প্রসঙ্গে হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা প্রায় শেষ হতে চলেছে। এখন বিভিন্ন সংবাদপত্রে বা নিউজ পোর্টালে অনেক খবর দেখে অনেকেই কনফিউসড। আসলে কি তথ্য ছিল সে বিষয়ে বা সামগ্রিক বিষয়টা একটু আলোচনা করে নেওয়া যাক।

মহামান্য হাইকোর্ট সবশেষে যে রায় দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী গত ২০/০৫/২০২২ হিসেবে সেদিন বলা হয়েছিল যে, স্যাট গত ২৬/০৭/২০১৯ তারিখে যে রায় দিয়েছিল সেই রায়কেই মান্যতা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। এছাড়াও বলা হয় যে, রায়দানের পরবর্তী ৩ মাস সময়কাল অর্থাৎ ২০/০৮/২০২২ এর মধ্যে কার্যকর (Dearness Allowance) করতে হবে। অর্থাৎ, আর বাকি রয়েছে মাত্র ৮ দিন।

Advertisement

এইবার যেই বিষয়টা সামনে আসছে তা হল রাজ্য সরকারের এখন হাতে কী কী পথ খোলা রয়েছে? প্রথম কথা হল রাজ্য সরকার সুপ্রীম কোর্টে যেতে পারে যখন তখন। এখনও পর্যন্ত আমরা যেটা জানা গেছে যে, মামলাকারী সংগঠন ইউনিটি ফোরাম, তথা কনফেডারেশন অফ স্টেট গভমেন্ট এমপ্লইজ এবং সরকারি কর্মচারী পরিষদ- যারা আগেভাগেই সুপ্রীম কোর্টে কেভিয়েট দাখিল করে রেখেছে। সুতরাং রাজ্য সরকার যদি সুপ্রীম কোর্টে যায়ও তাহলে এক পেশে রায় হবে না।

এবার অন্য বিষয়ে দেখলে দেখা যায়, যদি রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ মেটানোর পথেই যায়, তাহলে কি হতে পারে? এক্ষেত্রে দেখা যায়, ২৬শে জুলাই, ২০১৯ যে রায় দিয়েছিল, সেখানে খুব স্পষ্ট করেই বলা আছে যে, তারা যে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল তার মধ্যেই রাজ্য সরকারকে সম্পূর্ণ বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু তারা কী কী উপায়ে সেই পেমেন্ট করবে, তার স্বাধীনতা রাজ্য সরকারকে দেওয়া হয়েছিল মহামান্য আদালতের তরফ থেকে।

EK24 News

কিভাবে তারা বকেয়া ডিএ দেবে এবং কত দেবে তার সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারবে। এই জায়গায় রাজ্য সরকারের কাছে একটা অপশন রয়েছে যে তারা এই বকেয়া পেমেন্ট কী কী উপায়ে করতে পারবে। সেক্ষেত্রে বলা যায় যে, তারা কয়েকটি কিস্তিতে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দিতে পারে। আর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাজ্য সুপ্রীম কোর্টে না গিয়ে এই রাস্তায় হাটতে পারে।

Advertisement

এছাড়াও তারা কয়েকটা কিস্তিতে সরাসরি প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করে দিতে পারে। আগেও এই রকম নিদর্শন দেখা গেছে। পাশাপাশি পেনশনারদের ক্ষেত্রে কি পদ্ধতি নেবে সে বিষয়েও তাদেরকে ভেবে নিতে হবে। কারণ তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Dearness Allowance) একাউন্ট থাকে না।

আগামীকাল কি পশ্চিমবঙ্গে School বন্ধ? স্কুল ছুটি নিয়ে শিক্ষা দপ্তরের নয়া বিজ্ঞপ্তি, কনফিউশন দূর হলো।

এছাড়াও আরও একটি রাস্তা অবশ্যই খোলা রয়েছে, যদি রাজ্য সরকার ওপরের কোনও পথেই না যায়, সেক্ষেত্রে কিন্তু মামলাকারীরা ‘কন্টেম্পট অফ কোর্ট’ অর্থাৎ আদালত অবমাননার মামলা করবে যেমনটা স্যাট এর রায় অবমাননার সময়ে করা হয়েছিল। আর এই রাস্তায় হাটলে ঘুরে ফিরে একি জায়গায় ফিরে আসবে, অর্থাৎ শুধু সময় অতিবাহিত হবে, কিন্তু রায় একই হবে।

তবে নব্বান্ন সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার কিন্তু ইতিমধ্যেই একটা আইনি পরামর্শ করছে যে কি করলে তার ফল কি হতে পারে? এটাই হল আইনি পরামর্শের মূল বিষয়বস্তু। যদি সিদ্ধান্ত না মানা হয়, সেক্ষেত্রে কী হবে? যদি সুপ্রীম কোর্টে যাওয়া হয়, সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎ কর্মীদের দেওয়া রায় থেকে সিধান্ত স্পষ্ট। এই রায় নিশ্চয়ই রাজ্য সরকারের জানা আছে। কিছুটা সময় নষ্ট করা ছাড়া বিশেষ কিছু একটা হবে (Dearness Allowance) বলে মনে হয় না।

Advertisement

পাশাপাশি বকেয়া (Dearness Allowance) মেটাতে কতটা টাকা লাগবে, তা যদি একাউন্টে দেওয়া হয় তাতে কত পরিমাণে অর্থ লাগতে পারে, এই সকল বিষয়ই আলোচনার বিষয়বস্তু। কারণ হাতে সময় মাত্র ৮ দিন বাকি। এর মধ্যে কিন্তু কিছু একটা সিদ্ধান্ত (Dearness Allowance) নিতেই হবে। নাহলে আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে হবে।

কোন পদ্ধতিতে বকেয়া মেটাবে সেই স্বাধীনতা কিন্তু ২৬শে জুলাই, ২০১৯ এর রায়ে বলে দিয়েছিল যে রায়কেই কিন্তু মহামান্য হাইকোর্ট গত ২০.০৫.২০২২ মান্যতা দিতে বলেছে। সুতরাং আমাদের পেজটিতে মাঝে মধ্যেই খোঁজ খবর রাখতে থাকুন। আপডেট পাবার সাথে সাথেই নতুন নতুন খবরগুলি আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করি। ধন্যবাদ।
Written by Mukta Barai.

কন্যা সন্তান জন্মালেই মিলবে ১১,০০০ টাকা। কিভাবে জেনে নিন।

Advertisement
Advertisement
3 thoughts on “Dearness Allowance – রাজ্য সরকারী কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে সুখবর, সুপ্রীম কোর্টে যাচ্ছে না, আগামী সপ্তাহেই ডিএ ঘোষণা!”
  1. কর্মচারী সমস্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যম এটা ভুলে গেলে চলবে না।

    1. I am Pallab Kumar ghoshal. A pension holder of Bengal govt please send your report with us.without D.A our situation is fully uncontrolled. High market prices. please think for us with real good news.

  2. I am Pallab Kumar ghoshal. A pension holder of Bengal govt please send your report with us.without D.A our situation is fully uncontrolled. High market prices. please think for us with real good news.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement