Teacher Recruitment – দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দিলো আদালত, সুখবর চাকরী প্রার্থীদের

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একাধিক মামলা ও জটের মধ্যে সুখবর শোনালো আদালত (Teacher Recruitment)। সারা দেশের স্কুল গুলো যখন শিক্ষক শূন্যতায় ভুগছে, আর তখনই শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কার্যত গড়িমিসি হচ্ছে। তাই এদিন দ্রুততার সাথে (CWSN) Specialist শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দিলো আদালত।

Advertisement

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের (CWSN) জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষকের সংখ্যা সারা দেশেই শোচনীয়। এ রাজ্যও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পরে আশার আলো দেখছেন স্পেশাল বিএড এবং স্পেশাল ডিএলএড কোর্স করা ছাত্রছাত্রীরা। দেশের সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে শূন্যপদ পূরণ করা শুরু করতে হবে (Teacher Recruitment) । কেন্দ্রকে এই সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নের জন্যও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

Advertisement

স্পেশাল বিএড (BEd) বা ডিএলএডের (DlEd) মতো কোর্সগুলির নিয়ামক সংস্থা রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (RCI)। শারীরিক বা মানসিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পড়াশোনা এবং প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের এই কোর্সগুলি থাকা আবশ্যিক। তবে গোটা দেশেই এ নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। স্কুলগুলিতে স্পেশাল এডুকেটর বা স্পেশাল টিচার রাখার নিয়ম থাকলেও তা মানা হয় না। রাজ্যে একটি প্রকল্পের অধীনে স্পেশাল এডুকেটর পদে কিছু শিক্ষক রয়েছেন। তবে তাঁরা একেকটি সার্কেলে রয়েছেন। তাঁদের দৈনন্দিন পঠনপাঠনের বিষয়টি দেখা সম্ভব হয় না বলেই জানাচ্ছে এ বিষয়ে ওয়াকিবহাল মহল। (Teacher Recruitment)

সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, ছ’মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষ শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। ছাত্র এবং শিক্ষক অনুপাত সঠিক রাখতে কতজন শিক্ষক প্রয়োজন, তা কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলি জানাবে তিন মাসের মধ্যে। তাতে বিশেষ স্কুলগুলি যেমন থাকবে, তেমনই সাধারণ স্কুলগুলিতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পড়ুয়ার সংখ্যা বিচার করে সেই শূন্যপদের হিসেবও করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে পর্ষদের চেয়ারম্যান আজ কি বললেন

Advertisement

শিক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, স্পেশাল ডিএলএড বা বিএড কিন্তু সাধারণ ডিএলএড বা বিএডের সমতুল। অর্থাৎ, এই কোর্স করা থাকলে সাধারণ স্কুলেও চাকরি পাওয়া সম্ভব। তবে উল্টোটা হয় না। অর্থাৎ, সাধারণ বিএড বা ডিএলএড করে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পাঠদান আইন বিরুদ্ধ। তা করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা যেতে পারে। স্পেশাল কোর্স করে সাধারণ শিক্ষকতার চাকরি করছেন অনেকেই। তবে সেটা তো উদ্দেশ্য নয়। স্পেশাল চাইল্ডদের নিয়ে কাজ করার জন্যই এই কোর্স করা। তাদের জন্য কিছু না করা গেলে কোর্সটির উদ্দেশ্য পূরণ হয় না।

শেয়ার করুন: Sharing is Caring!

Leave a Comment