ঘরে এই পুরনো নোট থাকলে হাতে হাতে লাখ টাকা পাবেন, প্রতারণা ছাড়া বিক্রয় করার উপায়।

যাদের পুরনো নোট বা কয়েন জমানোর অভ্যেস রয়েছে, কিম্বা যাদের কাছে অনেক পুরনো নোট বা কয়েন আছে তারা এই পোষ্ট টি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। কারন হয়তো আপার ভাগ্য খুলে যেতে পারে। বর্তমানে স্পেশাল এই নোটের বিশেষ চাহিদা রয়েছে।

Advertisement

তবে মনে রাখবেন, পুরনো নোট বা কয়েন বিক্রি নিয়ে রিজার্ভ ব্যাংকের সতর্কবার্তা রয়েছে। এই ধরনের নোট বা কয়েন বিক্রির খবর সাধারণত প্রতারণার ফাঁদ হতে পারে বলে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে। কারণ বিভিন্নভাবে অনেকেই এরকম অনলাইনে পুরোনো নোট বিক্রি করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। তবে এর মধ্যেই আবার একটি খবর জানা গেল। কেনা বেচার আগে যাচাই করে নেবেন।

Advertisement

এই বিশেষ পুরনো নোট কাছে থাকলেই আপনি কোটিপতি।

আপনার কাছে যদি দীর্ঘদিনের পুরনো ১ টাকা, ২ টাকা, ৫ টাকা, ১০ টাকা, ২০ টাকা, ১০০ টাকা, ২০০০ টাকার নোট থাকে, তাহলে সেটা অনলাইনে বিক্রি করে আপনি লাখপতি কোটিপতি হয়ে যেতে পারেন।
প্রত্যেকেই তো চান লাখপতি কোটিপতি হতে। কিন্তু তার জন্য তো কোনো সাধারণ রাস্তা নেই। একমাত্র লটারির টিকিটে যদি পুরস্কার জেতেন তাহলে ধনী হতে পারেন।

পোস্ট অফিস এর ফ্রাঞ্চাইজি নিয়ে ঘরে বসে মাসে আয় 30-40 হাজার টাকা। ক্লিক করে জেনে নিন।

তবে এখানে জানা যাচ্ছে, আপনার কাছে যদি দীর্ঘদিনের পুরনো কোনো নোট বা কয়েন থাকে, সেটা অনলাইনে আপনি বিক্রি করে ধনী হয়ে যেতে পারবেন।
তবে সব পুরনো নোটই চড়া দামে বিক্রি হয় না। এই সমস্ত পুরাতন নোটের কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। যে সমস্ত নোটে ৭৮৬ নম্বর রয়েছে সেই নোটগুলি ইসলামিক দেশে বেশি দামে ক্রয় করা হয় বলে জানা গিয়েছে। কারণ ইসলাম ধর্মে ৭৮৬ কে ভাগ্যবান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তাই যদি আপনার কাছে এই ধরনের কোনো নোট থাকে তাহলে আপনি অনলাইন পোর্টালে গিয়ে বিক্রি করে ধনী হয়ে যেতে পারেন। এবার কিভাবে আপনি বিক্রি করবেন সেটাই একটু দেখে নেওয়া যাক।
প্রথমেই নোট কেনাবেচার ওয়েবসাইটে গিয়ে একজন বিক্রেতা হিসেবে নিবন্ধন করুন।
আপনার মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল আইডি দিন।

Advertisement

অনলাইনে বিক্রয় করতে এখানে ক্লিক করুন

এরপর পুরনো নোটের ছবি তুলে আপলোড করুন।
সেখানে এটা বিজ্ঞাপন হিসেবে প্রদর্শিত হবে। যারা কিনতে চান তারা আপনার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন।
তবে পুরনো নোট কেনাবেচা করার আগে সমস্ত দিক বুঝেশুনে এগোবেন। কারণ এই বিষয়ে RBI- এর সতর্কবার্তা রয়েছে।
Written by Rajib Ghosh.

শেয়ার করুন: Sharing is Caring!

Leave a Comment