তবে কি বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) পেতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা? এই ধারণাটা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তার সবচেয়ে বড় কারণ, রাজ্যের তরফে আদালতে হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।
শুধু তাই নয়, সরকারি কর্মীদের ডিএ দেওয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। তার কারণ, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার এখনো পর্যন্ত কোনো খবর নেই।
তবেকি বকেয়া ডিএ নিয়ে সুখবর আসছে?
কলকাতা হাইকোর্ট গত ২০ মে রাজ্য সরকারকে তিন মাসের মধ্যে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়। কিন্তু রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন জানানো হয়। যদিও আদালত পূর্বের নির্দেশই বহাল রাখে। তারপরেই আলোচনা শুরু হয়ে যায়। সরকার হয়তো সুপ্রিম কোর্টে DA নিয়ে আবেদন করতে পারে।
কিন্তু হাতে সময় রয়েছে আর মাত্র ১দিন। রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং অর্থসচিব মনোজ পন্থকে ৪ নভেম্বর এই মামলায় আদালতে হলপনামা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে যখন এখনো পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তাহলে অনেকেই মনে করছেন, সরকার হয়তো DA নিয়ে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।
তবে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে গেলে সেখানে সমস্ত কর্মীদের সংগঠন একজোট হয়ে আইনি লড়াই করার জন্য যাতে প্রস্তুতি নেয় সেরকম ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছিল সরকারি কর্মচারী পরিষদ। কিন্তু তাদের সেই আবেদনে অন্যান্য সরকারি কর্মীদের সংগঠন সাড়া দেয়নি। ইউনিটি ফোরাম এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার আদৌ যাবে কিনা সেই বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে।
আগে দেখা যাক মামলা কোন পথে গড়ায়। তবে আদালতের বাইরে Dearness Allowance নিয়ে যেকোনো ধরনের আন্দোলনে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলির পাশে ইউনিটি ফোরাম থাকবে বলেই বার্তা দেওয়া হয়েছে। এদিকে জানুয়ারী থেকে বেতন বন্ধ হবে, এই খবর প্রচার হওয়ার পেছনেও রাজনৈতিক কারন দেখতে পাচ্ছেন বলে মনে করছেন সরকারী কর্মীদের একাংশ। তবে অমিত মিত্রের নবান্নে মিটিং বকেয়া ডিএ নিয়ে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
এদিকে সরকারি কর্মচারী পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৯ তারিখের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। সরকার সুপ্রিম কোর্টে যাবে কিনা সেটা বোঝা যাচ্ছে না। তবে বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে সমস্ত কিছুর জন্যই প্রস্তুত। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো কিছু জানা যায়নি।
তবে যেহেতু ৪ নভেম্বর আদালতে রাজ্যের পক্ষে মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিব হলফনামা দেবেন, তাই সরকার DA প্রসঙ্গে কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, সেইদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সরকারি কর্মীরা। তবে এই মুহুর্তে বকেয়া ডিএ দিলেও যে সম্পুর্ন% দেবে না সেই ব্যাপারে নিশ্চিত রাজ্য সরকারী কর্মীরা।
Written by Rajib Ghosh.
LTI PENSION holder der ki da hike hobe?
khubi balo sidhanto.
I think, WB Govt. must declare DA as soon as possible. Otherwise, huge movement will occur within few days. Supreme Court is going to support Hon’ble High Court decision. If the judges of Supreme Court declare to time bound judgement, then WB Govt. Will bound to pay balance DA.