Advertisement
পশ্চিমবঙ্গে ডিএ ঘোষণা (Dearness Allowance in West bengal)
Advertisement

সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই তার আগেই রাজ্য সরকারের তরফে সরকারি কর্মচারীদের Dearness Allowance বা বকেয়া ডিএ ঘোষণা হতে পারে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA দিয়ে তাদের ক্ষোভ যাতে কিছুটা কমানো যায় সেই চেষ্টা চলতে পারে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। আর এটি কেবলমাত্র ধারনাই নয়। বিস্তারিত জেনে নিন।

Advertisement

Dearness Allowance News in West Bengal:

পশ্চিমবঙ্গের Dearness Allowance বা বকেয়া ডিএ এর ব্যাপারে সরকারি কর্মচারী পরিষদের সভাপতি বলেন, পঞ্চম বেতন কমিশনের ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সরকার সেটা না দিয়ে ৩ শতাংশ DA দিলে সরকারি কর্মীরা খুশি হবেন না। তারা কেন্দ্রীয় সরকারের হারেই DA চাইছেন। রাজ্যের সরকার যখন ৩ শতাংশ ঘোষণা করবে কেন্দ্র তখন ৪ শতাংশ আরো বাড়িয়ে দেবে। তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা তখন ৪২ শতাংশ ডিএ পাবেন। আর রাজ্য সরকারই কর্মীরা ৬ শতাংশ। ফলে ৩৬ শতাংশ ডিএ বাকি থেকে যাবে। এইভাবে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। তারা তাদের অধিকার কখনোই ভুলে যাবেন না।

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। আদৌ ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে তারা মহার্ঘ্য ভাতা পাবেন কিনা সেই বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই। তবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এই খবর জানা গিয়েছে। রাজ্য সরকার বছরের শুরুতেই ৩ শতাংশ DA দিতে পারে। আর শুধু সংবাদ মাধ্যমই নয়, এই জল্পনা ছড়িয়েছে প্রত্যেকটি রাজ্য সরকারের দপ্তরের সাধারন কর্মচারীদের মধ্যেও। তবে ৩ বা ৪% Dearness Allowance নিয়ে তারা খুশি নয়। এই ডিএ ঘোষণা হলেও মামলা চলবে বলে তারা জানিয়েছেন।

Advertisement

রান্নার গ্যাস মাত্র 500 টাকা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ভোটের আগে জলের দামে LPG Gas Cylinder.

এই বিষয়ে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি কর্মচারীদের ২০১৬ সাল থেকে প্রাপ্য বকেয়া ডিএ দিতে গেলে ৪১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা সরকারের কোষাগার থেকে খরচ হবে। সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১১৭৯০ কোটি টাকা লাগবে। সরকারি সাহায্য প্রাপ্তদের জন্য ১৮৩৬৯ কোটি টাকা লাগবে। আর পেনশনভোগীদের জন্য ১১ হাজার ৬১১ কোটি টাকা লাগবে। ফলে এত পরিমাণে টাকা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি রাজ্য সরকারের নেই। তাই অল্প কিছু দিয়ে অন্তত কর্মীদের ক্ষোভ কিছুটা হলেও প্রশমিত করতে চাইছেন।

বন্ধন ব্যাংকের টাকা চোট, রাতারাতি সব টাকা গায়েব, গ্রাহকদের মাথায় হাত।

এদিকে সুপ্রিম কোর্টে সরকারি আইনজীবী এই বিষয়টি জানিয়েছেন। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকারি কর্মীরা মনে করছেন নতুন বছরই জানুয়ারি মাসে রাজ্য সরকার ৩ শতাংশ DA দেওয়ার কথা ঘোষণা করতে পারে। এই বিষয়ে সূত্রের খবর অনুযায়ী তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

EK24 News

DA দেবে কিনা সন্দেহ, তবে Pension বাড়ছে সবার, PF একাউন্টে বকেয়া পাবেন।

আর কর্মীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে জানুয়ারী থেকে 6% Dearness Allowance দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে নবান্নে। যদিও এটা ৬ষ্ঠ পে কমিশনের জন্য। আর মামলা হয়েছে ৫ম বেতন কমিশনের, তাই এই Dearness Allowance দিলেও মামলার উপর তার কোনও প্রভাব পড়বে না।
Written by Rajib Ghosh.

Advertisement
Advertisement
Advertisement
3 thoughts on “Dearness Allowance – জানুয়ারী থেকে বকেয়া ডিএ পশ্চিমবঙ্গের কর্মীদের, তোড়জোড় নবান্ন থেকে অর্থ দপ্তর।”
  1. এ তাবৎকাল ধরে সাধারণ সরকারি কর্মচারীরা ডি এ বিষয়ে খুব একটা গোঁড়া ছিল না । গত ২০১০ পর্যন্ত মোটামুটি সরকার যেভাবে ডি এ দিয়েছে সেভাবেই কর্মচারীরা গ্রহণ করেছে । কিন্তু তার পরের কালে আমি কোন সাল উল্লেখ করছি না , বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে ডি এ বিষয়ে যতো নোংরামি করেছে তাতে এখন সরকারি কর্মচারী সমাজ এ বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন । শুধু ভোট আসছে বলে সরকারি কর্মচারির ঝুলিতে ৩/৪ শতাংশ ডি এ ছুঁড়ে দিয়ে ভোট তরণী পার হয়ে গেলাম , বোধহয় সেটা আর হবে না । তা ছাড়াও এই সরকার তো এখন আর সরকারি কর্মচারীদের ভরসায় ভোট করে না । তাদের নিজেদের ভোট যন্ত্র আছে । আমার মনে হয় এটুকু ভিক্ষা দিয়ে পুনরায় কিছু সময় অপরহণ করার প্রচেষ্টা মাত্র । জানিনা এটুকুও দেবে কিনা বা দিতে পারবে কিনা বা দিলেও কর্মচারী সমাজ সেটা গ্রহণ করবে কি না……..

    ..

  2. সরকারের উচিৎ বকেয়া ডিএ র পুরোটাই দিতে চেষ্টা করা। সেটা
    একান্তই অসম্ভব হলে অবশ‍‍্যই বেশ কিছু পরিমাণ ডিএ দেওয়া উচিৎ একইসঙ্গে সরকারি কর্মচারিদের বাধ্য করা উচিৎ যাতে তারা সাধারণ মানুষের কাজ একদম সঠিক সময়ে সম্পূর্ণ করে। শিক্ষক শিক্ষিকা প্রধানশিক্ষক/প্রধানশিক্ষিকা এবং
    অশিক্ষক কর্মচারিদের প্রত‍্যেকের সঠিক সময় আসা যাওয়া সুনিশ্চিত করবার জন্য প্রত‍্যেক বিদ‍্যালয়ে বায়োমেট্রিক যন্ত্র বসানো দরকার, এবং তাদের প‍্রত‍্যেককে তিন বছর অন্তর বদলি করার দরকার। টিউশন সম্পূর্ন নিষিদ্ধ করা এবং প্রত‍্যেকের সম্পত্তির হিসাব নেওয়া দরকার।
    তবে একইসঙ্গে ডিএ টাও মিটিয়ে দেওয়া উচিৎ।

  3. ১৬ ই জানুয়ারি র আগে বকেয়া ডিএ নিয়ে কোনো আলোচনা করবেন না।
    বিষয়টি বিচারাধীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement